Monday, April 25, 2016

জোকস্‌-দুধ খাই না

ছোট এক ছেলেকে পাশের বাড়ির আন্টি জিজ্ঞেস করল, “বলতো কে বেশী বড়, তুমি না তুমার বাবা?” ছেলে কয়েক সেকেন্ড চিন্তা করে বলল, “আমি।”
আন্টিঃ কিভাবে?
ছেলেঃ কারন আমি এখন আর মায়ের বুধ খাই না, বাবা খায়।

Sunday, April 24, 2016

জোকস্‌ - গিটারের তাঁর ছিড়া গেছে

মাস্টর স্কূল এ পড়াছে কাজী নজরুল এর কবিতা !
মাস্টর : তাপস বলো তো আমদের বাংলায় কেন এত আগুন জলছে ?
তাপস : সার্ আসলে বর্তমানে গেসের দাম ৪টাকা কমছে বলে !
মাস্টর : ভুল ৤ হইছে !
মাস্টর : বলো তো তাপস কবি কেন গান গাইতে পারছেন ণা ?
তাপস : আসলে সার্ কবির গিটারের তাঁর ছিড়া গেছিল তাই কবি গান গাইতে পারছিল না ! !
মাস্টর : না ছেলে বড় হইয়া রক স্টার হইবে ! !

জোকস্‌-শরীরের বর্ণনা

প্রেমিকাঃ জানু এবার ভাল করে দেখে বল না আমার শরীর এর কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?
প্রেমিকঃ হুম, সেটা হল এমন একটা জিনিষ যেটা দেখতে নারিকেলের মত গোল ও সাদা। তার ভিতর আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্ত এর উপর ডট।
প্রেমিকাঃ শয়তান! কি বলতে চাস?
প্রেমিকঃ সেটা হল তোমার চোখ।

জোকস্‌-আমার নিচে ও ছিল

পূর্নিমা রাত ছিল……..
ওর হাতে আমার হাত ছিল……
ওর পায়ে আমার পা ছিল……
… ওর উপরে আমি ছিলাম……
আমার নীচে ও ছিল……
বলুনতো ও আমার কে ছিল?………..
ও আমার সাইকেল ছিল

জোকস্‌-যাদু

* হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে কিন্তু
আমি দায়ী না*
$ একবার কালু আর লালু
দুজনে
এক দোকানে গেল…….
দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত
দেখে কালু ৩টে চকলেট
পকেটে পুরে নিলো।
দোকানের
বাইরে এসে…..
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে
চকলেট তুলে নিলাম,
অথচ
কেউ
কিছু বুঝতেই
পারলো না।
তুই কখনই
এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব
রেগে গিয়ে
বললঃ চল, আমি এর
থেকে কিছু
বেশি তোকে দেখাচ্ছি।
তারা দুজনে আবার
দোকানে গেল,
এবং লালু
দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল,
আপনি কি একটা জাদু
দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক
আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য
আমাকে ১টা চকলেট
দিন।
দোকানদার
লালুকে ১টা চকলেট
দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আর
১টা চাইলো।
দোকানদার আবার
১টা দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আবার
১টা
চকলেট চাইলো।
দোকানদার এবারও
তাকে চকলেট
দিতেই লালু
সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা,
এতে
তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. ….
এবার,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমার বন্ধুর পকেট
চেক
করুণ,
আপনার ৩টে চকলেট
ফেরত
পেয়ে যাবেন….।।

জোকস্‌-লোভে সদরঘাট

বালকঃ আই লাভ ইউ।
বালিকাঃ কি করতে পারবা আমার জন্য?
বালকঃ তাজমহল বানাবো।
বালিকাঃ কোথাকার রাজা তুমি?
বালকঃ আমি আমার মনের রাজা!
বালিকাঃ ও, ফকিন্নি মার্কা রাজা!!!
বালকঃ অবহেলা করো না বালিকা, হয়তো আমার কাছে আমার বন্ধুর মত গাড়ি নেই, বড় ঘর নেই; কিন্তু তোমাক মাথায় নিয়ে ঘুরাবো, এই বুকে রাখব তোমায়,
বালিকাঃ আচ্ছা । তোমার বন্ধুর নাম্বার দাও।
বালকঃ বন্ধুর নাম্বার দিয়া কি করবা?
বালিকাঃ তুমি না আমায় ভালোবাসো?
বালকঃ খুব!
বালিকাঃ চাওনা আমি সুখে থাকি?
বালকঃ অবশ্যই!!!
বালিকাঃ এ জন্যে তোমার বন্ধুকেই আমারচাই –। যার এত কিছু আছে, তার কাছে তো সুখেই থাকার কথা।
বালকঃ ( মলিন মুখে) এই নাও।
বালিকাঃ থ্যাঙ্কু – বাবু ।বাইই।
বালকঃ দোস্ত অপারেশন সাকসেস। তোর নাম্বার নিয়া নিছে, অপেক্ষায় থাক – মিসড কল, আসলেই ব্যাক করবি।
দোস্তঃ থ্যাঙ্ক ইউ দোস্ত, এই গরিবের মহা উপকার করলি – কিচ্ছু না দিতে পারলেও
দোয়া দিমু :)

Friday, November 7, 2014

ধাঁধারহস্য

পথিকের প্রশ্ন 

ধরুন, আপনি একজন পথিক। একাকী পথে হেঁটে যাচ্ছেন। হাঁটতে হাঁটতে আপনার চলার পথ একসময় দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেলো। এক ভাগ চলে গেছে সভ্য জগতের দিকে অর্থাৎ যেখানে গেলে আপনি ভদ্র জনপদ পাবেন। আরেক ভাগ গেছে ভয়ঙ্কর নরখাদক মানুষদের দেশে যারা আপনাকে পেলে কাঁচা খেয়ে ফেলবে। আপনি এই দুই ধরণের জনপদ ও সেখানকার অধিবাসীদের সম্পর্কে অবগত। কিন্তু কোন রাস্তা ধরে গেলে কাদের কাছে যাওয়া যাবে তা আপনার অজানা। পথের এই মোহনায় দুই ভাই দাড়িয়ে আছে। তারা জানে কোন রাস্তা কোথায় গিয়ে মিলেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে এক ভাই যা বলে তা সবই সত্য বলে। অন্যদিকে অন্য ভাই পুরোদস্তুর মিথ্যাবাদী। আপনি তাদের এই স্বভাব সম্পর্কেও অবগত। কিন্তু এটা জানেন না কে সত্য বলে আর কে মিথ্যা। এখন আপনাকে মাত্র একটা প্রশ্নের মাধ্যমে এই দুই ভাইয়ের যেকোনো একজনের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে যে, সভ্য জগতে পৌঁছাতে হলে কোন রাস্তা ধরতে হবে। 
আবার মনে করিয়ে দিইঃ 
১ আপনি কেবল একটি প্রশ্নই করতে পারবেন। প্রশ্নটি আপনাকে এক বাক্যে শেষ করতে হবে। 
২ প্রশ্নটি যেকোনো এক ভাইকে করতে হবে। 


জন্মদিন 

এক ব্যক্তি একদিন তার বন্ধুকে বললো, “গত পরশু দিন আমার বয়স ছিল ২৯ বছর কিন্তু আগামী বছর আমার বয়স হবে ৩২ বছর।” 
কিভাবে সম্ভব? তার জন্মদিন কত তারিখে?